তৃতীয় শ্রেণীর ছাত্রী সীমা আক্তারকে ধর্ষণ, অতঃপর হত্যা করেন আবুল কালাম আজাদ কালু । এ ঘটনায় ১৪ মার্চ ২০১৮ তারিখে গ্রেফাতার করেন পুলিশ। ৩ ডিসেম্বর ২০২০ তারিখে আসামীকে মৃত্যুদন্ড দিয়েছেন আদালত।

বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ বুধবার দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে জানায়, অভিযুক্ত নিজ অপরাধ স্বীকার করেছে। এসময় বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার এস এম রুহুল আমিনসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়, নগরীর কাশিপুর এলাকার পূর্বগণপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তৃতীয় শ্রেণীর ছাত্রী সীমা আক্তার স্কুলের টয়লেট নষ্ট থাকায় গত ১১ মার্চ দুপুরে পাশের ট্রাক শ্রমিক আবুল কালাম আজাদের বাড়িতে যায়। তখন বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগ নিয়ে তাকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধ করে হত্যা করে গৃহকর্তা আবুল কালাম আজাদ। হত্যার পর সীমার মৃতদেহ বস্তায় ভরে প্রতিবেশি হালিম মাস্টারের পারিবারিক কবরস্থানে ফেলে দেওয়া হয়। এই ঘটনায় পুলিশ মঙ্গলবার দুপুরে হালিম মাস্টারের পারিবারিক কবরস্থান থেকে বস্তায় ভরা সীমা আক্তারের লাশ উদ্ধার করে। তখন অভিযুক্তের বাড়ি থেকে নিহতের জুতা ও পাশের পুকুর থেকে পায়জামা উদ্ধার করা হয়।

স্কুলছাত্রী ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় এয়ারপোর্ট থানায় নারী শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। স্কুলের শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা হত্যাকারীর দ্রুত বিচার ও ফাঁসির দাবিতে বুধবার সকালে স্কুলের সামনে মানববন্ধন করেছেন।

তথ্যসুত্র