৪৬ মাস বয়সী এক কন্যা শিশুকে ধর্ষক করেন আব্দুল আলীম । ২৩ নভেম্বর ২০২০ তারিখে শেরপুর পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়েছে আবদুল আলীম ।

তাদের উভয়ের বাড়ি শেরপুর উপজেলার ২নং মডেল গাড়িদহ ইউনিয়নের বনমরিচা পশ্চিম পাড়া গ্রাম। অসুস্থ ওই কন্যাশিশুর বাবা অসহায় আব্দুল লতিফ জানান, মেয়ের দুর্ঘটনার পর থেকে স্থানীয় মাতব্বররা বিষয়টি থানা পুলিশকে না জানানোর জন্য চাপ দিয়ে অর্থের লোভ দেখিয়ে আপসের নামে ১৮ ঘণ্টা সময় বাড়িতে আটকে রাখেন।

গতকাল ২২শে নভেম্বর রোববার সকালে বিষয়টি গোপনে প্রকাশ হলে শেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. গাজিউর রহমানের নির্দেশে শেরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি মো. শহিদুল ইসলাম এবং ওসি তদন্ত আবুল কালাম আজাদ ধর্ষক আব্দুল আলীমকে তার নিজ বাড়ি থেকে সকাল ১০টায় গ্রেপ্তার করেন।

এদিকে শেরপুর থানায় দায়েরকৃত মামলার এজাহারে শিশুটির মা আব্দুল লতিফের দ্বিতীয় স্ত্রী রোজিনা বেগম (৪০) উল্লেখ করেছেন, প্রতিদিনের ন্যায় সে সকালে মেয়েকে বাড়িতে রেখে একই গ্রামের জনৈক নুরু মিয়ার চাতালে নারী শ্রমিকের কাজের জন্য যান। এরপর দুপুরের পরে জানতে পারেন তার মেয়েকে একইপাড়ার দুলাল আকন্দের ছেলে আব্দুল আলীম চকলেট কিনে দিবে বলে বাড়ি থেকে মাত্র একশ’ গজ পশ্চিমে গেন্দা মণ্ডলের আমন ধানের জমির আইলে ঘাস কাটার চটের বস্তার ওপরে পর পর দু’বার ধর্ষণ করে অজ্ঞান করেছেন।

সেখানে মেয়েটি অসুস্থ হলে তাকে আলীম বাড়িতে পাঠায়। এরপর মেয়েটি তার মাকে ধর্ষণের ঘটনা খুলে বলার পর স্থানীয় মাতব্বরগণ সুষ্ঠু বিচারের আশ্বাস দেন। সেখানে বিষয়টি ধামাচাপা দেয়ার জন্য দফায় দফায় সালিশ বৈঠক বসানো হলেও  শেষ রক্ষা হয়নি। এ ব্যাপারে শেরপুর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা হয়েছে। শেরপুর থানার পুলিশ অসুস্থ মেয়েটিকে বগুড়া শজিমেক কলেজ হাসপাতালে আলামত সংগ্রহে পরীক্ষার জন্য প্রেরণ করেছেন। সেই সঙ্গে আসামি কিশোর আব্দুল আলীমকে জেলহাজতে দেয়া হয়েছে।