গোসলের ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে দেবার ভয় দেখিয়ে একাধিকবার গৃহবধূকে ধর্ষণ করেন আরিফুল ইসলাম । ১৬ জুন ২০২১ তারিখে তাকে ঠাকুরগাঁও থেকে গ্রেফতার করা হয়।

ধর্ষক আরিফুল ইসলাম – ধর্ষক ডাটাবেজ

মামলা সূত্রে জানা যায়, এক গৃহবধূর গোসলের ভিডিও গোপনে ধারণ করেন একই এলাকার আরিফুল ইসলাম। এরপর সেই ভিডিও দেখিয়ে আরিফুল ওই গৃহবধূর কাছে ৫০ হাজার টাকা দাবি করেন। টাকা না দিলে ভিডিওটি ফেসবুকে ছড়িয়ে দেয়ার হুমকি দেন।

সংসার বাঁচাতে বিষয়টি গোপন রেখে জমি কেনার জন্য জমা করা ৪০ হাজার টাকা আরিফুলকে দেন ওই গৃহবধূ। একই সঙ্গে ভিডিওটি ফেসবুকে না ছড়ানোর জন্য অনুরোধ করেন তিনি। এর কিছুদিন পর ফের ওই গৃহবধূকে ভয়ভীতি দেখিয়ে ৬০ হাজার টাকা আদায় করেন আরিফুল।

এরই ধারাবাহিকতায় গত ৯ এপ্রিল রাতে স্বামীর অনুপস্থিতিতে ওই গৃহবধূর বাড়িতে ঢুকে আরও ১০ হাজার টাকা দাবি করেন আরিফুল। ওই সময় টাকা দিতে না পারায় গৃহবধূকে আগের ভিডিও ছড়িয়ে দেয়ার হুমকি দিয়ে ধর্ষণ করেন আরিফুল।

পরদিন একইভাবে তিনি ওই গৃহবধূর বাড়িতে ঢুকে ধর্ষণ করেন এবং ভিডিওটি মুঠোফোনে ধারণ করেন। পরে কয়েকজন বন্ধুকে ধর্ষণের ভিডিওটি দেখান আরিফুল। এরপর বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হয়।

পরে ওই গৃহবধূর পরিবারের লোকজন ঘটনাটি আরিফুলের পরিবারকে জানায়। কিন্তু স্থানীয়ভাবে মীমাংসা করার কথা বলে কালক্ষেপণ করেন আরিফুলের প্রভাবশালী বাবা আব্দুর রাজ্জাক ও তার দুই চাচা। পরে উপায় না পেয়ে ওই গৃহবধূ গত রোববার (১৩ জুন) রাতে আরিফুলসহ চারজনের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন এবং পর্নোগ্রাফি আইনে মামলা করেন। মামলা দায়েরের পরপরই আরিফুল গা ঢাকা দেন।

সহকারী পুলিশ কমিশনার আল ইমরান হোসেন বলেন, পরে তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় বুধবার বিকেলে ঠাকুরগাঁও সদর থানা এলাকা থেকে আরিফুলকে গ্রেফতার করা হয়। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

তথ্যসুত্র