গৃহবধূকে জোরপূর্বক মুখে গামছা চেপে ধর্ষণের চেষ্টা করে কামরুজ্জামান । মামলার পরে ৪ ঘন্টায় তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

গ্রেফতারের পরে অভিযোগকারী গৃহবধূ বলেন, তারা দিনমজুর। কাজের জন্য আমার স্বামী সারাদিন বাড়ির বাইরে থাকে। সেদিন আমি হাঁস খোঁজার জন্য কামরুজ্জামানের মর্টার ঘরের পাশ দিয়ে যাওয়া পথে সে জোরপূর্বক আমাকে মর্টার ঘরের ভেতর নিয়ে মুখে গামছা চেপে ধর্ষণের চেষ্টা করে। আমি ভয়ে জ্ঞান হারিয়ে ফেলি। জ্ঞান ফিরে দেখি মর্টার ঘর তালা বদ্ধ। আমার চিৎকারে আমার জা ও প্রতিবেশীরা আমাকে উদ্ধার করে। আমি জ্ঞান হারিয়ে ফেললে কামরুজ্জামান ভয়ে আমাকে ঐ অবস্থায় রেখে ঘরে তালা মেরে পালিয়ে যায়। আমরা গরীব অসহায় স্থানীয়ভাবে মিমাংসার জন্য নেতাদের পেছনে ঘুরতে ঘুরতে দীর্ঘ ৪৮ দিন পার হয়ে যায়। আমি ও আমার স্বামী ভয়ে থানায় যেতে পারছিলাম না।

কামরুজ্জামান বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি দেখাচ্ছিল। কোথাও কোনো বিচার না পেয়ে অবশেষে ৪৮দিন পর থানায় মামলা দায়ের করি। মামলা দায়েরের মাত্র ৪ ঘণ্টার মধ্যেই পুলিশ আসামি কামরুজ্জমানকে গ্রেফতার করে।

নিয়ামতপুর থানার অফিসার ইনচার্জ হুমায়ন কবির জানান, মামলা ১৫ নভেম্বর রাত ১২টায় রেকর্ড হওয়ার ৪ ঘণ্টার মধ্যে ভোর ৪টায় নিজ বাড়ি থেকে অভিযুক্ত আসামি কামরুজ্জামানকে গ্রেফতার করা হয়। আটকের পর ঐদিন রবিবার সকালেই তাকে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়।