শিশু শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ অতঃপর হত্যা করেন ফজর আলী । মামলার ভিত্তিতে ৩ জুলাই ২০২১ তারিখে তাকে গ্রেফতার করেন পুলিশ। ফজর আলী একই গ্রামের গিয়াস উদ্দিনের ছেলে। তিনি সম্পর্কে নিহত শিশুর চাচাতো মামা। রোববার (৪ জুলাই) বিকেলে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

ধর্ষক ফজর আলী – ধর্ষক ডাটাবেজ

এজাহার সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার (২ জুলাই) সকালে বাবার সঙ্গে বাড়ির পাশে নদীতে মাছ ধরতে যায় তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ুয়া ওই শিশু শিক্ষার্থী। নদীর কাছে যাওয়ার পর বৃষ্টি শুরু হলে সে বাবাকে রেখে একা বাড়ি ফেরার পথে নিখোঁজ হয়। অনেক খোঁজাখুঁজির পর নদীর পাড়ে পাটক্ষেতে হাত-পা বাঁধা ও গলায় ওড়না পেঁচানো অবস্থায় তার মৃতদেহ পাওয়া যায় ।

শনিবার (৩ জুলাই) কিশোরগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল মর্গে ময়নাতদন্ত শেষে তাকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে বলে জানান সিভিল সার্জন। এ ঘটনায় শিশুটির বাবা বাদী হয়ে কটিয়াদী মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন।

পুলিশ এ ঘটনায় আটজনকে আটক করে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ফজর আলী গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে সোপর্দ করে পুলিশ। পরে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

হোসেনপুর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. সোনাহর আলী জানান, ফজর আলীকে রিমান্ডে নিয়ে আরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

তথ্যসুত্র