বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী এক নারীকে ধর্ষণ করেন বিদ্যুত হোসেন । সেই নারী এক পুত্র সন্তানের জন্ম দিয়েছেন। তবে সেই সন্তানের বাবা হতে রাজী নন বিদ্যুত হোসেন । ভুক্তভোগীর পরিবারের করা মামলায় ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০ তারিখে তাকে গ্রেফতার করেন পুলিশ।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, ধর্ষণের শিকার মেয়েটির বাবা পেশায় দর্জি। তিনি বাড়ির অদুরে দিঘলকান্দি তিনমাথা বাজার এলাকায় টেইলার্সে পোশাক তৈরি করেন। প্রায় ১৫ বছর আগে ওই মেয়েটিকে দত্তক নেন টেইলার্সের মালিক। বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী মেয়েটির বয়স কমপক্ষে ১৬ বছর। গত ২৫ জানুয়ারি মেয়েটির বাবা ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে কাজ করতে যান এবং মা যান পাশের বাড়িতে। এ সুযোগে প্রতিবেশী বখাটে বিদ্যুত হোসেন মেয়েটিকে বাড়িতে একা পেয়ে ধর্ষণ করে।

এরপর ধর্ষণের বিষয়টি প্রকাশ না করার জন্য মেয়েটিকে ভয়ভীতি দেখিয়ে ওই বাড়ি থেকে কেটে পড়ে বিদ্যুত। এ কারণে মেয়েটি এ বিষয়টি প্রকাশ করেনি। এ অবস্থায় মেয়ের শারীরিক পরিবর্তন দেখে মা-বাবা তাকে জিজ্ঞাস করলে ধর্ষণের বিষয়টি প্রকাশ করে। তখন চিকিৎসকের পরামর্শে অসহায় মা-বাবা মেয়ের শারীরিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করান। পরে চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র অনুযায়ী মা-বাবা জানতে পারেন মেয়েটি অন্তঃসত্ত্বা।