ইফতারের খাবারের সঙ্গে ঘুমের ঔষধ খাইয়ে অচেতন করে দশম শ্রেণীর এক ছাত্রীকে ধর্ষণ করেন রিপন মিয়া সহ তার সহযোগী দুজন। অভিযোগের ভিত্তিতে ৭ মে ২০২১ তারিখে তাদেরকে গ্রেফতার করেন পুলিশ।

ধর্ষক রিপন এবং ফয়সাল – ধর্ষক ডাটাবেজ

পুলিশ জানিয়েছে, শুক্রবার সন্ধ্যায় উপজেলার কাঠালবাড়ি গ্রামের রিপন মিয়া বোগলা গ্রামের দশম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর বাড়িতে তার ফুফাতো ভাই ফয়সালের (১২) মাধ্যমে ঘুমের বা নেশাজাতীয় ওষুধ মিশিয়ে ইফতারসামগ্রী পাঠায়। ইফতারের খাবার খেয়ে ওই শিক্ষার্থী ও তার দাদি অচেতন হয়ে পড়ে। মধ্যরাতে রিপন ওই বাড়িতে গিয়ে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ করে। ভোররাতে তাদের জ্ঞান ফিরলে চিৎকার করে। স্থানীয়রা এসে তাদেরকে প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন।

এদিকে অভিযোগ পেয়ে পুলিশ মূল অভিযুক্ত রিপন, ভুক্তভোগীর ফুফাতো ভাই ফয়সাল এবং ওষুধ বিক্রেতা জসিম উদ্দিনকে আটক করেছে। এছাড়া ঘটনাস্থল থেকে ধর্ষণের আলামাত জামা-কাপড়সহ ইফতারসামগ্রী ও একটি ছুরি উদ্ধার করে। ভুক্তভোগী ওই ছাত্রীকে উদ্ধার করে দোয়ারাবাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চিকিৎসা দেয়া হয়।

স্থানীয়রা জানিয়েছে, ভুক্তভোগী ওই শিক্ষার্থীর বাবা-মা বেঁচে নেই। দাদা-দাদির সঙ্গে সে বসবাস করে। ঘটনার দিন দাদা বাড়িতে ছিলেন না।

দোয়ারাবাজার থানার ওসি (তদন্ত) মনিরুজ্জামান বলেন, মূল অভিযুক্ত রিপন ও তার সহায়তাকারী আরও দুইজনকে আটক করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলার প্রক্রিয়া চলছে।

তথ্যসুত্র