মোবাইল ফোন দেওয়ার কথা বলে ডেকে নিয়ে গৃহবধূকে ধর্ষণ করেন সাখাওয়াত হোসেন । মামলার ভিত্তিতে গণধর্ষণের ৮ আসামীর মধ্যে সাখাওয়াত হোসেন কে ১৯ ডিসেম্বর ২০২০ তারিখে গ্রেফতার করেন পুলিশ।

পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় গৃহবধূর পূর্ব পরিচিত সাখাওয়াত ও সাকিব মোবাইল ফোন দেয়ার কথা বলে পাশের নরদার টেকে ডেকে নিয়ে যায়। এক পর্যায়ে ওই টেকে গৃহবধূকে প্রথমে সাখাওয়াত ও পরে সাকিব ও অন্যরা রাত সাড়ে ৭টা থেকে সাড়ে ৮টা পর্যন্ত ধর্ষণ করে।

এক পর্যায়ে ওই গৃহবধূকে আটকে রেখে তার মায়ের কাছে মোবাইল ফোনে ৫০ হাজার টাকা দাবি করে বিকাশে পাঠাতে বলে। পরে তার মা মোবাইল ফোনে বিষয়টি থানায় অবহিত করেন। পুলিশ অভিযান চালিয়ে প্রথমে মাসুমকে গ্রেফতার করে। তার স্বীকারোক্তিতে রাতভর অভিযান চালিয়ে অপর ছয়জনকে গ্রেফতার করে।

গ্রেফতাররা হল- চরখামের গ্রামের আইনউদ্দিনের ছেলে সাখাওয়াত হোসেন, তরগাঁও গ্রামের মোস্তফা বেপারির ছেলে রোমান বেপারি, মহসিন বেপারির ছেলে জোবায়ের বেপারি, মফিজউদ্দিন সর্দারের ছেলে মোস্তারিন, এহসান বেপারির ছেলে সাহাবুল হোসেন সাকিব, বাদল মোড়লের ছেলে মাহফুজুল হক, বোয়ালিয়ার টেকের ছফুরউদ্দিনের ছেলে মাসুম শেখ, সামসুল হকের ছেলে রাকিব হোসেন। এএসপি সার্কেল (কালীগঞ্জ) ফারজানা ইয়াসমিন ভিকটিমের জবানবন্দি নিয়েছেন। কাপাসিয়া থানার ওসি মো. আলম চাঁদ জানান, গ্রেফতাররা এ ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। গ্রেফতারদের শুক্রবার আদালতে পাঠানো হয়েছে। মূল হোতা সাখাওয়াত হোসেনকে গ্রেফতারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

তথ্যসুত্র