প্রেমিকার মা কে গলা কেটে হত্যার পর অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে প্রেমিকাকে ধর্ষণ করেন সামিউল ইসলাম সাগর । ১৮ জুন ২০২০ তারিখে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করেন।

থানা পুলিশ ও নিহতের পরিবার জানায়, সাথীর স্বামী এমদাদুল হক নাটোরে একটি খামারে নৈশপ্রহরীর চাকরি করেন। বাড়িতে স্ত্রী নাসিমা আক্তার সাথী ও উচ্চ মাধ্যমিকে পড়ুয়া মেয়েকে নিয়ে থাকতেন। মেয়ের সঙ্গে সাগরের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। বেশ কিছুদিন থেকে তাদের প্রেমের সম্পর্কে টানাপোড়েন শুরু হয়।

প্রেমিকাকে হত্যার উদ্দেশ্যে একটি ধারালো ছুরি নিয়ে সোমবার গভীর রাতে বাড়ির পেছনের দিক দিয়ে ছাদে উঠে অপেক্ষা করেছিল সাগর। পরে প্রেমিকার ঘরে গিয়ে দেখে প্রেমিকা নেই। প্রেমিকার মায়ের ঘরে গিয়ে দেখে মা ও মেয়ে ঘুমিয়ে আছে। জোর করে প্রেমিকাকে ঘুম থেকে ডেকে তুলে কথা বলার সময় দুজনের মধ্যে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়।

এ সময় প্রেমিকার মা ঘুম থেকে জেগে উঠলে সাগর তার কাছে থাকা ছুরি দিয়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করে। এতে প্রেমিকার মা অজ্ঞান হয়ে পড়লে জবাই করে হত্যা করা হয়। পরে মায়ের লাশ পাশে রেখে অস্ত্রের মুখে প্রেমিকাকে ধর্ষণ করে সাগর।

নিহতের স্বামী এমদাদুল হক বলেন, বাড়িতে স্ত্রী ও মেয়ে থাকতো। সোমবার রাতে স্ত্রীকে হত্যা করা হয়েছে বলে মোবাইলে জানতে পারি। বাসায় এসে শুনি মাকে হত্যার পর মেয়েকে ধর্ষণ করা হয়েছে। এমন নির্মম ঘটনা আমি মানতে পারছি না। আমি ঘাতকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।