দশম শ্রেনীর মাদ্রাসা ছাত্রীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এতিমখানায় নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করেন হাফেজ আব্দুল মজিদ । মামলার ভিত্তিতে ২০ এপ্রিল ২০২১ তারিখে তাকে গ্রেফতার করেন পুলিশ।

বুধবার (২১ এপ্রিল) সকালে আদালতের মাধ্যমে তাকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। মজিদ শ্যামনগর উপজেলার শ্রীফলকাটি গ্রামের শওকত গাজীর ছেলে এবং কালিগঞ্জের পাউখালি মাহবুবা রাজ্জাকিয়া হাফিজিয়া মাদরাসা ও এতিম খানার শিক্ষক।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শিক্ষক আব্দুল মজিদ শ্যামনগর উপজেলার নুরনগর মহিলা মাদরাসার দশম শ্রেণির ছাত্রীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন। ১৭ এপ্রিল বিকেলে ওই ছাত্রীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে কালিগঞ্জের পাউখালি মাহবুবা রাজ্জাকিয়া হাফিজিয়া মাদরাসা ও এতিম খানায় নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করেন মজিদ।
পরদিন ১৮ এপ্রিল সকালে ওই ছাত্রীকে মাদরাসা থেকে মোটরসাইকেলযোগে কালিগঞ্জের গড়ের হাট এলাকায় নামিয়ে দিয়ে আসেন এবং বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানান। পরবর্তীতে ওই ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে থানায় মামলা করেন।

কালিগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) দেলোয়ার হুসেন বলেন, ‘অভিযুক্তকে মঙ্গলবার রাতে গ্রেফতার করা হয়েছে। আজ সকালে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।’

তথ্যসুত্র